ভণ্ড শিক্ষকদের থেকে সাবধান।

5কিন্তু যদিও তোমরা সবই একবারে জেনে নিয়েছ, তা সত্বেও আমার ইচ্ছা এই, যেন তোমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিই যে, প্রভু মিশর দেশ থেকে প্রজাদেরকে উদ্ধার করে যারা বিশ্বাস করে নি পরে তাদের বিনষ্ট করেছিলেন। 6আর যে স্বর্গ দূতেরা নিজেদের আধিপত্য রক্ষা না করে নিজ বাসস্থান ত্যাগ করেছিল, তাদেরকে তিনি মহাদিনের বিচারের জন্য ঘোর অন্ধকারের মধ্যে অনন্তকালের শিঁকলে বেঁধে রেখেছেন। 7সেইভাবে সদোম ও ঘমোরা এবং তার আশেপাশের শহর সব এদের মতো অত্যন্ত ব্যাভিচারগ্রস্ত এবং বিজাতীও মাংসিক চেষ্টায় বিপথগামী, তারা অনন্ত আগুনে পুড়বার শাস্তি পাবে, তাদের নমুনা রয়েছে। 8তা সত্বেও এরাও সেইভাবে স্বপ্ন দেখতে দেখতে নিজের দেহকে অপবিত্র করে, কর্তৃত্ব অমান্য করে, যারা গৌরবের পাত্র সেই স্বর্গদূতকে নিন্দা করে। 9কিন্তু প্রধান স্বর্গদূত মীখায়েল যখন মোশির মৃতদেহের বিষয়ে দিয়াবলের সাথে তর্ক বিতর্ক করলেন, তখন স্বর্গদূতকে নিন্দা করে দোষী করতে সাহস করলেন না, কিন্তু বললেন, “প্রভু তোমাকে ধমক দিন।” 10কিন্তু এরা না বুঝে স্বর্গদূতকে নিন্দা করে; এবং বুদ্ধিবিহীন পশুদের মত যা স্বভাবতঃ জানে, তাতেই নষ্ট হয়। 11ধিক তাদেরকে! কারণ তারা কয়িনের পথে চলে গিয়েছে এবং টাকার লোভে বিলিয়মের ভুল পথে গিয়ে পড়েছে এবং কোরহের প্রতিবাদে বিনষ্ট হয়েছে। 12তারা তোমাদের সাথে খাবার খাওয়ার দিনের তোমাদের প্রীতিভোজে ব্যাঘাত সৃষ্টিকারীর মত, তারা এমন পালক যে নির্ভয়ে নিজেদেরকে চালায়; তারা বাতাসে ভাসমান নির্জল মেঘ; হেমন্তকালের ফলহীন, দুই বার মৃত ও নির্মূল গাছ; 13তারা নিজ লজ্জারূপ ফেনা বের করার মত প্রচন্ড সামুদ্রিক তরঙ্গের মত; ভ্রমণকারী তারা, যাদের জন্য অনন্তকালের ঘোরতর অন্ধকার অপেক্ষা করছে। 14আর আদম পর্যন্ত সাত পুরুষ যে হনোক, তিনিও এই লোকদের উদ্দেশ্যে এই ভাববাণী বলেছিলেন “দেখ, প্রভু নিজের দশ হাজার পবিত্র দূতদের সাথে আসলেন, যেন সবার বিচার করেন; 15আর ভক্তিহীন সবাই নিজেদের যে সব ভক্তিবিরুদ্ধ কাজের মাধ্যমে ভক্তিহীনতা দেখিয়েছে এবং ভক্তিহীন পাপীরা তাঁর বিরুদ্ধে যে সব কঠোর কথা বলেছে তার জন্য তাদেরকে যেন ভর্ত্সনা করেন।” 16এরা বচসাকারী, নিজের নিজের ভাগ্যকে দোষ দেয় ও খারাপ কামনা-বাসনার অনুগামী; আর তাদের মুখ মহাগর্বের কথা বলে এবং তারা লাভের জন্য মানুষদের পক্ষপাত করে।