সাদা পোশাক পরিহিত বিশাল জনারণ্য
9এরপর আমি তাকিয়ে দেখলাম, আর আমার সামনে প্রত্যেক দেশের, গোষ্ঠীর, জাতির ও ভাষাভাষী লোকের এক বিশাল জনারণ্য দেখতে পেলাম যাদের গণনা করার সামর্থ কারও নেই। তারা সেই সিংহাসন ও মেষশাবকের সামনে দাঁড়িয়েছিল। তারা ছিল সাদা পোশাক পরিহিত ও তাদের হাতে ছিল খেজুর পাতা। 10তারা উচ্চকণ্ঠে চিৎকার করে বলল,
“পরিত্রাণ দেওয়ার অধিকার সিংহাসনে উপবিষ্ট
আমাদের ঈশ্বর ও মেষশাবকের অধিকারভুক্ত।”
11সব স্বর্গদূত সেই সিংহাসনের চারদিকে এবং সেই প্রাচীনবর্গের ও চারজন জীবন্ত প্রাণীর চারদিকে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা সেই সিংহাসনের সামনে নত হয়ে প্রণাম করলেন ও ঈশ্বরের উপাসনা করলেন, 12বললেন:
“আমেন!
প্রশংসা ও মহিমা,
প্রজ্ঞা ও ধন্যবাদ ও সম্মান,
পরাক্রম ও শক্তি
চিরকাল যুগে যুগে আমাদের ঈশ্বরেরই হোক।
আমেন!”
13তখন প্রাচীনদের মধ্যে একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “সাদা পোশাক পরিহিত এই লোকেরা কারা এবং কোথা থেকে তারা এসেছেন?”
14আমি উত্তর দিলাম, “মহামান্য, আপনিই তা জানেন।”
তখন তিনি বললেন, “এরা সেই লোক, যারা মহাসংকটকাল থেকে উত্তীর্ণ হয়ে এসেছে; তারা মেষশাবকের রক্তে তাদের পোশাক পরিষ্কার করেছে ও তা সাদা করছে। 15এই কারণে,
“তারা ঈশ্বরের সিংহাসনের সামনে রয়েছে,
আর তারা দিনরাত তাঁর মন্দিরে তাঁর সেবা করে;
আর যিনি সিংহাসনে উপবিষ্ট,
তিনি তাদের আশ্রয় দেবেন।
16‘আর তারা কখনও ক্ষুধার্ত হবে না,
আর তারা কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না।
সূর্যের প্রচণ্ড তাপ বা প্রখর উত্তাপ,’
তাদের গায়ে লাগবে না।
17কারণ সিংহাসনের কেন্দ্রে স্থিত মেষশাবক
তাদের পালক হবেন;
‘তিনি তাদের জীবন্ত জলের উৎসের দিকে নিয়ে যাবেন।’
‘আর ঈশ্বর তাদের চোখের জল মুছিয়ে দেবেন।’”


